
প্রতিবন্ধী স্কুল স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্তিসহ পাঁচদফা দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। তারা বলছেন, স্বীকৃতি ও এমপিও না হওয়ার ফলে শিক্ষক-কর্মচারীরা অত্যন্ত মানবেতর জীবন-যাপন করছেন, যা প্রতিবন্ধীদের শিক্ষাক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব ফেলছে। সে কারণে অনতিবিলম্বে সব অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্তি নিশ্চিত করতে হবে।
সোমবার (৩ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় সমন্বয় পরিষদের ব্যানারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।
এ সময় তারা বলেন, ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের ২০ ডিসেম্বর সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়গুলো স্বীকৃতি ও এমপিওর জন্য আবেদনের প্রজ্ঞাপন জারি করে এবং অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে আবেদন গ্রহণ করে। পরবর্তীতে বিশেষ শিক্ষা নীতিমালা ২০১৯-এর আলোকে জাতীয় স্বীকৃতি ও এমপিও কমিটি গঠন করে বিদ্যালয়গুলোকে ক, খ, এবং গ এই তিন শ্রেণিতে বিভক্ত করে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় কার্যক্রম শুরু করে, যা অত্যন্ত ধীরগতির। ফলে, সারাদেশের শিক্ষক-কর্মচারী অত্যন্ত মানবেতর জীবন-যাপন করছেন এবং প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিক্ষাক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব পড়ছে।
মানবেতর জীবন-যাপনকারী শিক্ষক-কর্মচারীদের নিজেদের অর্থনৈতিক মুক্তি ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষাদানের মাধ্যমে শতভাগ শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের এই প্রচেষ্টা সরকারের হাত শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আমাদের এই কর্মসূচি।
সভায় ৫ (পাঁচ) দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়:
১। অনতিবিলম্বে সকল বিশেষ (অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী) বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি ও এমপিও ভুক্তি নিশ্চিত করতে হবে।
২। সকল বিশেষ বিদ্যালয়ের প্রতিবন্ধীবান্ধব অবকাঠামো নিশ্চিত করতে হবে।
৩। বিশেষ শিক্ষার্থীদের নূন্যতম শিক্ষা ভাতা ৩০০০/- টাকা নিশ্চিত করতে হবে।
৪। শিক্ষার্থীদের মিডডে মিলসহ শিক্ষা উপকরণ, খেলাধুলা সরঞ্জাম প্রদান ও থেরাপি সেন্টার বাস্তবায়ন করতে হবে।
৫। ছাত্র-ছাত্রীদের ভোকেশনাল শিক্ষা কারিকুলামের আওতায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে হবে।