
চৈত্রের গরম আর অনাবৃষ্টিতে নীলফামারীতে দেখা দিয়েছে খাবার পানি ও সেচ সংকট। অনেক ফসলি জমি ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। পানির স্তর নেমে যাওয়ায় পানি উঠছে না নলকূপে।
সরেজমিনে দেখা যায়, নীলফামারীর বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে চলছে বোরো আবাদ। চৈত্রের গরম আর অনাবৃষ্টিতে জমি ফেটে চৌচির। এমনকি, পানি উঠছে না নলকূপেও।
নীলফামারীতে গত বছর মার্চ মাসে ২৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হলেও চলতি বছর একই সময়ে বৃষ্টি হয়েছে মাত্র ৫ মিলিমিটার। পাশাপাশি গত এক সপ্তাহে তাপমাত্রা ১৮ থেকে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় দেখা দিয়েছে সেচ সংকট। মিলছে না খাবার পানিও। এতে বিপাকে জেলার বাসিন্দারা।
কৃষি বিভাগ বলছে, কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখতে গভীর নলকূপ দিয়ে সেচের বিকল্প নেই। এ কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে অনুরোধ করা হয়েছে।
নীলফামারীর সৈয়দপুরের অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা বলেন, বিদ্যুৎ সরবরাহ ঠিক রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। সেচের কূপগুলোর সরবরাহ ঠিক রাখতেও বলা হয়েছে। এছাড়া কৃষকদের ব্যক্তিগত সেচপাম্প দিয়ে সেচের কার্যক্রম চালু আছে।
কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে নীলফামারীতে ৮১ হাজার ৫৭ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম